ফরিদ উদ্দিন বিপু,কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনি ধি,০১জুলাই।। চির নিদ্রায় শায়িত হলেন ১৯৬৯ এর গনঅভ্যূথানে কলাপাড়া উপজেলার একমাত্র সক্রিয় নেতা ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা, বিশিষ্ট সমাজ সেবক,ফ্রেস মাইন্ড ক্লাব’র প্রতিষ্ঠাতা সর্বজনপ্রিয় শিক্ষাগুরু উপাধ্যক্ষ নুর-বাহাদুর তালুকদার। বুধবার আছর নামাজবাদ এতিমখানা জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে মরহুমের জানাযা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় জানাযা নামাজে উপস্থিত অনেকেই অশ্রæশিক্ত হন। জানাযা শেষে এতিম খানা কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়।
উল্লেখ্য মঙ্গলবার দিবাগত রাত একটার দিকে হৃদ যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল আনুমানিক ৬৯ বছর। তিনি দীর্ঘ দিন যাবৎ হৃদ রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী,তিন ছেলেসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
সর্বজন প্রিয় এই নেতা তার জীবদ্দশায় ১৯৭০ সালে জাগো দলের ছাত্র নেতা থেকে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন । পরে ১৯৭৭ সালে ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে সাধারণ ইতিহাস বিভাগে এমএ পাস করেন। ১৯৭৯ সালে কলাপাড়া সরকারী মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস ডিগ্রি কলেজে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন এবং ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে অবসর গ্রহন করেন । এছাড়া তিনি ১৯৯০ সালে শক্রিয় ভাবে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হন। ১৯৯৫ সাল থেকে উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। পরে ২০০৪ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত তিনি কলাপাড়া পৌর বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন।
সদা হাস্যজ্জল সুবক্তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো উপজেলা জুড়ে। আজ সকালে তার মরাদেহ পৌরশহরের এতিমখানাস্থ বাসভবনে পৌছালে স্বজন ও প্রতিবেশিদের গগণবিদারী আহাজারিতে অনামিশার চাদঁরে ঢাকা পরে গোটা এলাকা। অসখ্যং গুনের অধিকারী ক্রিড়া প্রেমী এ ব্যক্তির মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন পটুয়াখলী-৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মহিব্বুর রহমান মহিব, কলাপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান এস.এম রাকিবুল আহসান, কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রশিক্ষন বিষয়ক সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোশাররফ হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ও উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, কৃষকদলসহ উপজেলা বিএনপির অংগ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এছাড়া কলাপাড়া প্রেসক্লাব, কলাপাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটি, কলাপাড়া টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরাম, কলাপাড়া রিপোর্টার্স ক্লাব ও কলাপাড়া পেষাজীবি সংগঠনসহ গনমাধ্যমকর্মীরা তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন।
সর্বজন প্রিয় এই নেতা তার জীবদ্দশায় ১৯৭০ সালে জাগো দলের ছাত্র নেতা থেকে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন । পরে ১৯৭৭ সালে ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে সাধারণ ইতিহাস বিভাগে এমএ পাস করেন। ১৯৭৯ সালে কলাপাড়া সরকারী মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস ডিগ্রি কলেজে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন এবং ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে অবসর গ্রহন করেন । এছাড়া তিনি ১৯৯০ সালে শক্রিয় ভাবে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হন। ১৯৯৫ সাল থেকে উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। পরে ২০০৪ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত তিনি কলাপাড়া পৌর বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন।
সদা হাস্যজ্জল সুবক্তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো উপজেলা জুড়ে। আজ সকালে তার মরাদেহ পৌরশহরের এতিমখানাস্থ বাসভবনে পৌছালে স্বজন ও প্রতিবেশিদের গগণবিদারী আহাজারিতে অনামিশার চাদঁরে ঢাকা পরে গোটা এলাকা। অসখ্যং গুনের অধিকারী ক্রিড়া প্রেমী এ ব্যক্তির মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন পটুয়াখলী-৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মহিব্বুর রহমান মহিব, কলাপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান এস.এম রাকিবুল আহসান, কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রশিক্ষন বিষয়ক সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোশাররফ হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ও উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, কৃষকদলসহ উপজেলা বিএনপির অংগ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এছাড়া কলাপাড়া প্রেসক্লাব, কলাপাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটি, কলাপাড়া টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরাম, কলাপাড়া রিপোর্টার্স ক্লাব ও কলাপাড়া পেষাজীবি সংগঠনসহ গনমাধ্যমকর্মীরা তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন।


