বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০১:১১ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
চট্টগ্রাম বিভাগে বিভিন্ন জেলায় প্রতিনিধি আবশ্যক। যারা ইচ্ছুক, তারা আমাদের নিউজ পোর্টালে যোগাযোগ করবেন। যোগাযোগ 01715247336.

কলাপাড়ায় চিহ্নিত ভূমিদস্যু জালিয়াতির চক্রের হাত থেকে রক্ষায় প্রকৃত  ভূমি মালিকদের সংবাদ সম্মেলন।।

প্রতিবেদকের নাম / ৫৮ শেয়ার হয়েছে
নিউজ আপঃ বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২০, ১:২৭ অপরাহ্ন

মো.ফরিদ উদ্দিন বিপু,কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি,২৯জুলাই।।

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চিহ্নিত ভ‚মিদস্যু জালিয়াতি চক্রের প্রধান জহির হাওলাদারের মিথ্যা ও জালিয়াতি দলিল সৃষ্টি করে প্রকৃত ভ‚মি মালিকদের হয়রানী করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভ‚ক্তভ‚গীরা। বুধবার বেলা এগারোটায় কলাপাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির মিলনায়তনের এ সংবাদ সম্মেলন উপস্থিত ছিলেন ভ‚ক্তভোগী নুরুল ইসলাম খান, নুর মোহাম্মদ খান, আবদুল গনি খান, শহিদুল ইসলাম, খলিল মীরসহ ইটবাড়িয়ার অর্ধশতাধিক বাসিন্দা। এসময় ভ‚ক্তভোগীদের পক্ষে লিখিত পাঠ করেন জাকির হোসেন খান তোতা।

লিখিত বক্তব্যে জাকির হোসেন বলেন, খৈয়মফ্রু মগ মাদবর আর.এস ১১১ নং খতিয়ানে ১২০৯, ১২০৬, ১২১০ নং দাগে মোট জমি ৮.৬১ একর। বিগত ২৩/০৫/১৯৫০ তারিখে খৈয়ামফ্রু মগ মাদবর তাহার পুত্র চাতাফ্রু মগ মাদবর এর নিকট ৩.৩৩ একর ভ‚মি বিক্রি করেন। চাতাফ্রু মগ মাদবর ০৩/০৭/১৯৫০ তারিখে আঃ রহিম খানের নিকট ১.৬৬ একর ভ‚মি বিক্রি করেন। যাহার দলিল নং-৮৯৫। আঃ রহিম খান ১৯৫২ সনের বাদুরতলী মৌজার এস.এ জরিপ রেকর্ডের সময়ে আঃ রহিম খান জরিপ ও দিয়ারা অফিসে এস.এ ৩৯ নং খতিয়ান খোলেন। যার এস.এ দাগ নং-১২০৬, ১২০৯, ১২১০। এই তিনটি দাগের ১.৬৬ একর জমি আঃ রহিম খানের নামে এস.এ প্রিন্টে ছাপা হয়, যাহার দৈর্ঘ্য ১০১০ ফুট, প্রস্থ ৭২ ফুট। এই পূর্ণ জমির বুঝ না পাওয়ায় পটুয়াখালী সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে ৩৬৫/২০১২নং মামলা চলমান থাকে। উক্ত মামলা চলমান অবস্থায় ভবিষ্যৎ শান্তি স্থাপনের জন্য টিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, সদস্য ও স্থানীয় সার্ভেয়ার দ্বারা উভয় পক্ষের কাগজপত্র পর্যালোচনা করে জমি বুঝাইয়া সীমানা নির্ধারন করে দেয়া হয়। জহির হাওলাদার ৩৯ নং খতিয়ানে ৪৩ শতাংশ জমি নিজাম চৌকিদারের মাধ্যমে জোর পূর্বক দখল করে রাখে। ইউপি চেয়ারম্যানের সালিশির রোয়েদাদ অনুযায়ী ৩৯নং খতিয়ানের জমি স্ব-ইচ্ছায় ছেড়ে দেয়ার কথা থাকলেও জোড় পূর্ব উক্ত জমি দখল করে আছেন।

জাকির হোসেন খান তোতা আরো বলেন, বাদুরতলী মৌজার এস.এ ১৯২ নং খতিয়ানে রেকর্ডীয় মালিক সেরআলী হাং, যাহার দাগ নংÑ১২০৬, ১২০৯, ১২১০, উক্ত সেরআলী হাং তাহার ২ পুত্রের নিকট ২-৬৪ একর জমি ২৩/০২/১৬৭৬ তারিখে মোঃ জহির হাং ও আঃ রশিদ হাং এর নিকট ৮২১নং হেবাবেল এওয়াজ দলিল মূলে বিক্রয় করেন। ২৬/০৯/২০০৭ তারিখে খেপুপাড়া এস.আর অফিসে রেজিঃ ৩৪০৯নং সাব-কবলা দলিল মূলে ৩৩ শতাংশ জমি মোঃ জহির হাং, নিজাম চৌকিদারের নিকট বিক্রয় করেন। ১৩৪ খে/২০০৯-১০ নামজারী করিয়া ৮। শতাংশ জমি নিজাম চৌকিদার বিক্রি করেন মাসুম বিল্লাহর নিকট। একই তারিখে জহির হাং বিক্রি করেন ৩। শতাংশ, একুনে ০.১১\ শতাংশ এবং এস.এ ১৯২নং খতিয়ান হইতে নাসির উদ্দিন মোল্লার নিকট ৭ শতাংশ বিক্রি করেন সর্বমোট ৪৩ শতাংশ জমি বিক্রয় করেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, জহির হাওলাদার ও নিজাম চৌকিদারের ইন্ধনে আবু বক্কর ও মাসুদ ফরাজী নতুন ঘর নির্মানের চেষ্টা চালায়। থানার মাধ্যমে ঘরের নির্মান কাজ স্থাগিত করা হলে জহির হাওলাদার কলাপাড়া বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (১৮১/২০২০) একটি মিথা চাঁদাবাজী মামলা দায়ের করে । জহির হাওলাদার, তার স্ত্রী কানুন বেগমসহ নিজাম চৌকিদার, মন্নান ঘরামী, লতিফ ঘরামী, মতলেব ঘরামী, মনির খান, মাসুদ ফরাজী, দালাল চক্রের লোক হওয়ায় তিনি বিভিন্ন সময়ে জাল দলিল সৃষ্টি করে মিথ্যা চাঁদাবাজী মামলাসহ বিভিন্নভাবে  হয়রানী করে আসছে। সম্প্রতি সুবিধা লাভের আসায় সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়া বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় আমাদের মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জহির হাওলাদার বলেন, তার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। চেয়ারম্যানের সালিশির রোয়েদাদ অনুযায়ী জমি ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তোতা খানের সাথে তার চাচা মনির খানের বিরোধ আমার উপর চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে।


এই বিভাগের আরও খবর....

Address

87 Middle Rajashon, Savar,Dhaka-1340

+8802-7746644, +8801774945450

EMAIL newsalltime27@gmail.com

এক ক্লিকে বিভাগের খবর