৩ জন করোনা রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন। মিতুল হাকিমের সার্বিক সহযোগিতা।

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: 3:06 PM, June 5, 2020
৩ জন করোনা রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন। মিতুল হাকিমের সার্বিক সহযোগিতা।
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

আনোয়ারুল ইসলাম (আনোয়ার) রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধিঃ রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তিকৃত ৩ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী রাজবাড়ী জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিল্লুল হাকিম এমপির পুত্র জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আশিক মাহমুদ মিতুল হাকিম ও কর্তব্যরত চিকিৎসকের চিকিৎসা প্রদানে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। আজ শুক্রবার দুপুরে সুস্থ হওয়া ৩ জন করোনা রোগীকে ছাড়পত্র দিয়েছে কালুখালী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

৩ জন করোনা রোগীরা হল জেলার কালুখালী উপজেলার বড় কলকলিয়া গ্রামের রিনা বেগম, বাওইখোলা গ্রামের আঃ রহমান ও পাংশা উপজেলার পৌর শহরের কুড়াপাড়া গ্রামের রমজান আলী। এছাড়াও এদের সংস্পর্শে থাকা ২ জনকে ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে রেখে রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। এসময় ছেড়ে দেয়া রোগীদেরকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফলমূল প্রদান করেন কালুখালী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন কোয়ারেন্টাইন সহ ৬ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী ভর্তি ছিল। হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সগণ নিয়মিত এসকল করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করছিল যত্নের সাথে । এদের মধ্যে পরপর ২ বার করে ৩ জন করোনা রোগীর নমুনা নেগেটিভ আসায় তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ আবু জালাল বলেন, কালুখালী ও পাংশাতে করোনা পজিটিভ রোগী সনাক্ত হওয়ার পর জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ নূরুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে তাদেরকে নিয়মিত চিকিৎসা প্রদান করা হয়।
তিনি আরো বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে আমরা যখন স্বাস্থ্য সুরক্ষা সহ বিভিন্ন সরঞ্জামের অভাবে ছিলাম। ঠিক তখনই রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিল্লুল হাকিমের ছেলে জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য আশিক মাহমুদ মিতুল আমাদের চিকিৎসকদের জন্য পিপিই ও মাস্ক সহ রোগীদের জন্য করোনার প্রতিষেধক যেসকল ঔষধ তা প্রদান করেন। তার সহোযোগিতায় আমাদের চিকিৎসকগণ করোনা রোগীদের সেবা দিয়ে করোনামুক্ত করতে সক্ষম হয়েছেন। এছাড়াও তিনি আরো বলেন করোনা রোগী ভর্তি রয়েছে তাদের প্রত্যেকেরই ১ বার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। আরও একবার নমুনা পাঠানো হবে নেগেটিভ আসলে তাদেরকেও ছেড়ে দেয়া হবে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ আবু জালাল এর তত্ত্বাবধানে মেডিকেল অফিসার ডাঃ আল-মামুন, ডাঃ নিউটন সিকদার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের নিয়মিত চিকিৎসা প্রদান করেছেন।