June 25, 2026, 5:19 am
Logo
শিরোনামঃ
মানবতার ফেরিওয়ালা মোঃ জে এইচ রানা নেলসন ম্যান্ডেলা শান্তি পুরস্কার ২০২৬-এর জন্য মনোনীত বাঘায় বিদ্যুতের যন্ত্রাংশ চুরির সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠে একজন নিহত পদ্মার চরে লাশের মিছিল: নেপথ্যে কাকন বাহিনীর অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিষ্পাপ শিশু রামিশা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সাভারে এক বিশাল মানববন্ধন মিডিয়া এন্ড এন্ট্রাপ্রেনিয়র অ্যাওয়ার্ড–২০২৬ র‍্যাবের বিশেষ অভিযান: বিদেশি পিস্তল, গুলি, মাদক ও নগদ অর্থ উদ্ধার, আটক ২ দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে অভিযুক্ত সাব-রেজিস্ট্রার মো. জাকির হোসেন সাভারে সাব রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির রিপোর্ট করায় সংবাদ কর্মীকে অপহরনের চেষ্টা কালামপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ‘মান্নান সিন্ডিকেট’ এর দৌরাত্ম্য: জিম্মি সাধারণ মানুষ মেহেদীপুর গ্রামে ব্যতিক্রমী আয়োজন: একত্রে ঈদের জামাতে পুরো গ্রাম
নোটিশঃ
দেশব্যাপি জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি আবশ্যক। নুন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচ এস সি/ সমমান পাস। যোগাযোগঃ 01715247336

ফিলিপের পরিবারের অভিযোগ: টাকার জন্য খুন করেছে মাদক গ্যাং গ্রুপ

প্রতিবেদকের নাম 507
নিউজ আপঃ Thursday, August 15, 2019

মাধবপুর প্রতিনিধি।।হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সুরমা চা বাগান ভারত বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ২০ নং এলাকায় ফিলিপ কর্মকারকে টাকার জন্য এলাকার চিহিত চোরাকারবারিরা তাকে খুন করেছে । এমন অভিযোগ করে আসছেন নিহত ফিলিপের পরিবার।

ফিলিপের হত্যাকান্ডে যারা জড়িত তারা ২০ নং সীমান্তের ত্রাস ও চিহিত মাদক চোরাকারবারি। তাদের ভয়ে স্থানীয় বাসিন্দরা আতংকে দিন কাটায়। মূলত ফিলিপের স্ত্রী চিকিৎসার ৫০ হাজার টাকা লুট করে নিতেই ফিলিপকে পরিকল্পপিতভাবে হত্যা করেছে চিহিত গ্রুপটি।

নিহত ফিলিপের শ্বশুর চিন্তন তন্তবাই অভিযোগ করে বলেন তার গর্ভবতী মেয়ে ফিলিপের স্ত্রী চিকিৎসার জন্য জামাতা ফিলিপকে গত ৮ আগস্ট সকালে ৫০ হাজার টাকা দেন। টাকা দেওয়ার ঘটনাটি ওই এলাকার চিহিত চোরাকারবারি ত্রাস গ্যাং টি জেনে যায় । টাকা নেওয়ার মতলবে ওই দিন দুপুরে ফিলিপকে নিয়ে গ্যাং দলের এক সদস্যর বাড়িতে মদের আসর বসানো হয়।

এর পর ৮ আগস্ট ওই রাতে ২০ নং ভারত বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকা কচু বাড়ি নামক স্থানে ফিলিপকে চিহ্নিত ত্রাস গ্রুপটি পিটিয়ে হত্যা করে তার কাজ থেকে ৫০ হাজার টাকা লুট করে নেয়। পরে ওই দিন রাতেই ফিলিপের মরদেহ তার বাড়ির সামনে কোন রকমে ঝুলিয়ে রেখে অপরাধীরা পালিয়ে যায়। ঘটনার পর ওই গ্রুপের কেউ ফিলিপকে দেখতে আসেনি । অনেকেই এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গেছে।

ফিলিপের পরিবারের দাবি ওই চিহিক গ্রুপটিকে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ফিলিপ হত্যার রহস্য খুব সহজেই উন্মেচিত হবে।

ফিলিপের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তেলিয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই রাকিবুল হাসান বলেন, সব কিছু মাথায় রেখে মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে ।

ময়নাতদন্তে ডাক্তারী প্রতিবেদন পেলে মামলা তদন্তে আরো সহজ হবে।


এই বিভাগের আরও খবর....
ThemeCreated By bdit.Com
Share