May 9, 2026, 9:49 pm
Logo
শিরোনামঃ
দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে অভিযুক্ত সাব-রেজিস্ট্রার মো. জাকির হোসেন সাভারে সাব রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির রিপোর্ট করায় সংবাদ কর্মীকে অপহরনের চেষ্টা কালামপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ‘মান্নান সিন্ডিকেট’ এর দৌরাত্ম্য: জিম্মি সাধারণ মানুষ মেহেদীপুর গ্রামে ব্যতিক্রমী আয়োজন: একত্রে ঈদের জামাতে পুরো গ্রাম রমজান উপলক্ষে সাভারে মানবাধিকার সংস্থার ইফতার জাবাল-ই-নূর মডেল মাদ্রাসায় ১২তম বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ ও বালিকা ক্যাম্পাসের শুভ উদ্বোধন সামাজিক ও আইনী বিষয়ক মানবাধিকার সংস্থার ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য ও জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন ঢাকা ১৯ আসনের গণআধিকার পরিষদের প্রার্থী শেখ শওকত হোসেন সাভারে সামাজিক ও আইনি বিষয়ক মানবাধিকার সংস্থার উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও একদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা
নোটিশঃ
দেশব্যাপি জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি আবশ্যক। নুন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচ এস সি/ সমমান পাস। যোগাযোগঃ 01715247336

পাট্টা ইউনিয়নের ত্রাস এখন নাজমুল ও জাহাঙ্গীর

স্টাফ রিপোর্টারঃ 292
নিউজ আপঃ Sunday, August 8, 2021

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলাধীন পাট্টা ইউনিয়নের পুইজোর এলাকার আপন দুই ভাই নাজমুল বিশ্বাস ও চাঁদ বিশ্বাস এবং একই ইউনিয়নের আশ্রুহাট এর জাহাঙ্গীর হোসেন এখন স্থানীয়দের আতংকের কারণ। পাট্টা ইউনিয়নের ত্রাস এখন নাজমুল ও জাহাঙ্গীর তারা স্থানীয়দের শালিশের নামে জিম্মি করে হাতিয়ে নিচ্ছে অর্থ। এখন তারা ওই এলাকার মস্তানি করে বেড়াচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
জাহাঙ্গীর দীর্ঘদিন ঢাকায় বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করতেন। বর্তমানে তিনি এলাকার মস্তান, প্রতিটি মানুষ কে দিতে হয় তাকে চাঁদা।
বিভিন্ন মাধ্যমে জানাযায়, ঢাকায় সে দীর্ঘদিন চাকরি করেছে না কি করছে জানি না। তবে কিছুদিন যাবত সে এলাকায় এসেই হয়ে গেছে মস্তান। তাকে দিতে হচ্ছে চাঁদা, না দিলেই অস্ত্রের ভয় ভিতি দেখায়। এছাড়াও তিনি মাদক সহ বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা করে চলেছেন এলাকায়।
এখন তিনি তার দাপট দেখিয়ে শালিশ এর নামেও চাঁদা বাজি করে চলেছে। তার বিরুদ্ধে মুখ খুললেই তার উপর চলে অন্যান্য অত্যাচার। যার মূল কারণ স্থানীয় চেয়ারম্যানে অন্যতম অস্ত্র ধারি ক্যাডার।
অপরদিকে নাজমুল বিশ্বাস ও চাঁদ বিশ্বাস এর বিরুদ্ধে রয়েছে এলাকায় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে নারীর শৃলতা হানী করার মত অভিযোগ। নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিতে তারা ঈদ বা বিশেষ সময় বোমা ফোটায় বলে জানা গেছে।
স্থানীয় রনি, হামিদুল, মতিয়ার মাস্টার, আলি আকবর, বাদশা মন্ডল সহ আরো অনেকেই ঘটনার সত্যতা শিকার করেছে। তারা বলেন আমরা ভয়ে কিছু বলতে পারি না।
এলাকা বাসির দাবী চেয়ারম্যানের এই সকল অস্ত্র ধারি ক্যাডার বাহিনীর সদস্যদের পুলিশ আটক করে আইনের আওতায় আনবে। তা হলেই এলাকায় শান্তি ফিরে আসবে।


এই বিভাগের আরও খবর....
ThemeCreated By bdit.Com
Share