May 7, 2026, 4:51 pm
Logo
শিরোনামঃ
দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে অভিযুক্ত সাব-রেজিস্ট্রার মো. জাকির হোসেন সাভারে সাব রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির রিপোর্ট করায় সংবাদ কর্মীকে অপহরনের চেষ্টা কালামপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ‘মান্নান সিন্ডিকেট’ এর দৌরাত্ম্য: জিম্মি সাধারণ মানুষ মেহেদীপুর গ্রামে ব্যতিক্রমী আয়োজন: একত্রে ঈদের জামাতে পুরো গ্রাম রমজান উপলক্ষে সাভারে মানবাধিকার সংস্থার ইফতার জাবাল-ই-নূর মডেল মাদ্রাসায় ১২তম বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ ও বালিকা ক্যাম্পাসের শুভ উদ্বোধন সামাজিক ও আইনী বিষয়ক মানবাধিকার সংস্থার ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য ও জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন ঢাকা ১৯ আসনের গণআধিকার পরিষদের প্রার্থী শেখ শওকত হোসেন সাভারে সামাজিক ও আইনি বিষয়ক মানবাধিকার সংস্থার উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও একদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা
নোটিশঃ
দেশব্যাপি জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি আবশ্যক। নুন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচ এস সি/ সমমান পাস। যোগাযোগঃ 01715247336

বাঘায় বিধবার টাকা আত্মসাৎ সরকারী সুবিধা দেওয়ার নামে -নিউজ অলটাইম

হাবিল উদ্দিন, রাজশাহী প্রতিনিধি 228
নিউজ আপঃ Thursday, February 3, 2022

স্বামীর মৃত্যুর পর অনেক কষ্টে দিনাতিপাত চলে মাবিয়া নামের এক বিধবার।অন্যের জমিতে তার বসত ঘর। সংসার জীবনে তিনি দুই সন্তানের জননী। এনজিওর সহযোগীতায় গরু,ছাগল লালন পালন করে বেশ ভালোই চলছিল। দু্ইটা মেয়ের বিয়েও দিয়েছিলেন তিনি। মেয়েরা স্বামীর বাড়িতে বেশ সুখেই ছিলো।
আর এ-ই বিধবা কুড়ে ঘরে একাই বসবাস করতো । বড় মেয়ে লিখার কপালে যেন সুখ সইল না। হঠাৎই তার জীবনে নেমে এলো কালবৈশাখী ঝড়। ছয় মাসের সন্তান গর্ভে রেখে অসুস্থ অবস্থায় তার স্বামীর মৃত্যু হয়। আর লিখা হয়ে যান বিধবা। স্বামী হারিয়ে ছয় মাসের সন্তান গর্ভে নিয়ে রাজশাহীর মোহনপুরস্থ স্বামীর বাড়ি থেকে বিতাড়িত হয়ে ফের চলে আসে মায়ের কুঁড়ে ঘরে। মা-মেয়ে দুই বিধবা অনেক কষ্টে বসবাস করে সেই কুঁড়ে ঘরে। কষ্টের এ সময়ে হঠাৎই আশার প্রদীপ হাতে মারিয়ার বাড়িতে আসে রানা আহমেদ (২৬) নামের স্থানীয় এক যুবক।দিতে চায় মা মেয়েকে সরকারি নানান সুবিধা আর হাতিয়ে নেয় ১৯৪০০/- টাকা।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মাবিয়া জানান, গত ২ বছর আগে তেঁথুলিয়া নওদাপাড়া এলাকার আবুসামার ছেলে রানা আহমেদ আমার মেয়ের জন্য ১টি গর্ভবতী ভাতা ও ২টি ভিজিডি কার্ড এবং ৪ বস্তা ১০ টাকা কেজির চাল দিবে বলে মোট ১৯৪০০/- নিয়ে যায়। কিন্তু এই ২টি বছরে রানা মাত্র ১০ কেজি চাল দিয়েছে কোন কার্ড করে দিতে পারেনি। আর কোন টাকাও ফেরত দেয় নি। বর্তমানে আমি খুব অসহায় জীবন যাপন করছি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মুঠোফোনে রানা বলেন,টাকা নিয়েছি ঠিকই কিন্তুু কাজ করে দিতে না পারায় গত ২৫-২৬ দিন আগে তাকে টাকা ফেরত দিয়েছি।
বাউসা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান শফিক বলেন,এ ব্যাপারে আমার জানা নেই। তবে সাধারণ জনগণ রানার মতো এ সকল ছেলেদের হাতে টাকা কেন দেয়? সে কি ইউনিয়নের মেম্বর, চেয়ারম্যান নাকি নেতা! জনগণ ভুল করলে দায় কে নিবে?


এই বিভাগের আরও খবর....
ThemeCreated By bdit.Com
Share