February 12, 2026, 5:16 am
Logo
শিরোনামঃ
জাবাল-ই-নূর মডেল মাদ্রাসায় ১২তম বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ ও বালিকা ক্যাম্পাসের শুভ উদ্বোধন সামাজিক ও আইনী বিষয়ক মানবাধিকার সংস্থার ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য ও জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন ঢাকা ১৯ আসনের গণআধিকার পরিষদের প্রার্থী শেখ শওকত হোসেন সাভারে সামাজিক ও আইনি বিষয়ক মানবাধিকার সংস্থার উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও একদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা গোল্ডেন ব্যাচ–’৯৭ এর উদ্যোগে পূণর্মিলনী, শিক্ষকদের সংবর্ধনা, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অ্যালায়েন্স অব ইউনিভার্সিটিজ ইন আশুলিয়া’-এর উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত প্রতিবন্ধী মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে থেরাপি সেবা সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া এখন সময়ের দাবি সাভার পৌর ৯নং ওয়ার্ডে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার ক্লাবের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ
নোটিশঃ
দেশব্যাপি জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি আবশ্যক। নুন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচ এস সি/ সমমান পাস। যোগাযোগঃ 01715247336

কলাপাড়ায় ক্ষতিগ্রস্থ সেই কৃষকের তরমুজ ক্ষেত পরিদর্শন করলেন ইউএনও

মো.ফরিদ উদ্দিন বিপু,কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি, 233
নিউজ আপঃ Wednesday, January 19, 2022

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পাউবোর প্রকৌশলী কর্তৃক সাড়ে তিন হাজার তরমুজ গাছ উপড়ে ফেলা ক্ষতিগ্রস্থ সেই কৃষকের ক্ষেত পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক। বুধবার বেলা বারোটায় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় উপজেলার ধুলাসার ইউনিয়নের পশ্চিম চাপলী গ্রামের ওই ক্ষেত পরিদর্শনে যান। এসময় কলাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এমআরএম সাইফুল্লাহ ও ধুলাসার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল জলিল মাষ্টার উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য প্রায় ২ মাস আগে পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং বনবিভাগের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে মৌখিক অনুমতি নিয়ে পশ্চিম চাপলী গ্রামের বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধের ঢালে সাড়ে তিন হাজার তরমুজ গাছ রোপন করেন কৃষক দেলোয়ার। কিন্তু গত ১৬ জানুয়ারী হঠাৎ সকল তরমুজ চারা উপরে ফেলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন বেড়িবাঁধ রক্ষা প্রকল্পের প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম।

কৃষক দেলোয়ার কাঁদো কাঁদো কন্ঠে জানান, আমি মনির স্যারের হা-পা ধরে কান্নাকাটি করেছি। বলেছি প্রয়োজনে আমার নামে মামলা দেন। কিন্তু এই ক্ষতিটা করিয়েননা। সে আমার কথা শোনেনি। আমি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে এ ব্যবসা শুরু করেছিলাম। আগে তাদের থেকে অনুমতিও নিয়েছি। তখন তারা বাঁধা দেয়নি। আমার বড় সর্বনাশ হয়ে গেছে।

কলাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এমআরএম সাইফুল্লাহ জানান, কৃষক দেলোয়ারের ৮শ‘ মাদায় প্রায় সাড়ে তিন হাজার তরমুজ গাছ হয়েছিলো। আর একমাস পরই এসব গাছে ফল আসতো। আমার ঘটনাস্থল স্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সতত্যা পেয়েছি। আশা করছি খুব শীঘ্রই জেলা প্রশাসক বরাবরে প্রতিবেদন দাখিল করতে পারবো।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক জানান, জেলা প্রসাশনের  নির্দেশে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি। দুই একদিনের মধ্যে প্রতিবেদন পাঠানো হবে।


এই বিভাগের আরও খবর....
ThemeCreated By bdit.Com
Share