মঙ্গলবার, ০৯ অগাস্ট ২০২২, ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শিরোনামঃ
সরেরহাট কল্যানী শিশু সদনে অনিয়ম দূর্নীতির তথ্য প্রকাশ করায় দৈনিক ‘নাগরিক ভাবনা’র বিরুদ্ধে অভিযোগ পাংশায় বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ট্রাক চালক নিহত বৃদ্ধা মহিলার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নোটিশ জারি আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় ঝগড়া থামাতে গিয়ে স্ব-পরিবারে হামলার শিকার পাংশায় গুরুত্বপূর্ণ সড়কে শিক্ষার্থী ও পথচারীদের দুর্ভোগ ইউএনও আম্বিয়া সুলতানা অসহায় বৃদ্ধাকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন, রাসিকের ১৩, ১৪ ও ১৯ নং ওয়ার্ড তারুণ্যের ছোঁয়ায় উজ্জীবিত এস এল এ মানবাধিকার সংস্থার ঈদ পুনর্মিলনী ২০২২ বাড়িয়াকান্দির বহরপুরে আগুনে পুড়ে কোটি টাকার সম্পদ ধ্বংস। সরাসরি ভোটে কাদিরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন
নোটিশঃ
দেশব্যাপি জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি আবশ্যক। নুন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচ এস সি/ সমমান পাস। যোগাযোগঃ 01715247336

মর্মস্পর্শী:মায়ের লাশ দেখতে পুলিশের গাড়িতে উঠল শিশুটি

প্রতিবেদকের নাম / ৩০২ বার দেখা হয়েছে
নিউজ আপঃ বুধবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯, ১১:১২ পূর্বাহ্ন

সোনাই ডেক্স:কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁওতে কেরোসিন ঢেলে রুমা আক্তার নামের এক গৃহবধূকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গৃহবধূ মারা যাওয়ার পর থেকে পলাতক রয়েছেন স্বামী ও তার স্বজনরা।

রোমহর্ষক এ ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ২৮ জানুয়ারি দগ্ধ হয়ে আহত গৃহবধূ ৫ ফেব্রুয়ারি সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

মরদেহের সুরহতাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। নিহত গৃহবধূ রুমা আক্তার (২৬) ঈদগাঁও ইউনিয়নের দক্ষিণ মাইজ পাড়ার মৃত ওবাইদুল হকের ছেলে ওয়াহিদ উল্লাহর স্ত্রী ও চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড দক্ষিণ পাড়ার গিয়াস উদ্দীনের মেয়ে। তিনি এক সন্তানের জননী।

নিহত রুমা আক্তারের মামা আবদুল হক বলেন, ওয়াহিদুল হকের সঙ্গে রুমা আক্তারের বিয়ে হয়েছিল বছর দুয়েক আগে। বিয়েটি প্রেমের হওয়ায় মেনে নেয়নি তার পরিবার।

অনেক নির্যাতন সহ্য করে সুখের আসায় সংসার করে আসছিল রুমা। গত ২৮ জানুয়ারি ওয়াহিদুল হকের যোগসাজশে ভাই মামুনর রশিদ, মোর্শেদ ও মা তফুরা বেগম রুমা আক্তারের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়।

তার চিৎকারে এলাকার লোকজন ও প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে দ্রুত উদ্ধার করে ঈদগাঁওস্থ একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে সদর হাসপাতালে পাঠান।

সেখানে ২-৩ দিন চিকিৎসা নেয়ার পর অবস্থার উন্নতি না হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সাতদিন চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ৫ জানুয়ারি সকালে তার মৃত্যু হয়।

তিনি আরও বলেন, স্বামীর পক্ষের লোকজন মৃত্যুর পর রুমাকে ঘরে নিয়ে এসে দাফন-কাফনের ব্যবস্থা করছিল। এমন সময়ে স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধিকে জানানো হলে তিনি তাৎক্ষণিক ঈদগাঁও পুলিশকে বিষয়টি জানান। পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই শাহাজ উদ্দীন ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরহাতাল রিপোর্ট তৈরি করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠান। পুড়িয়ে দেয়া মায়ের লাশ নিয়ে যাওয়ার সময় মাকে দেখতে পুলিশের গাড়িতে উঠে পড়ে তার ছোট শিশুটি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. আসাদুজ্জামান বলেন, গৃহবধূর মরদেহের সুরহতাল রিপোর্ট তৈরি করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত রুমার স্বজনদের মামলা করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।


এই বিভাগের আরও খবর....

Google Sponsored Ads

এক ক্লিকে বিভাগের খবর