মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শিরোনামঃ
নোটিশঃ
চট্টগ্রাম বিভাগে বিভিন্ন জেলায় প্রতিনিধি আবশ্যক। যারা ইচ্ছুক, তারা আমাদের নিউজ পোর্টালে যোগাযোগ করবেন। যোগাযোগ 01715247336.

জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ:কমলগঞ্জে শশ্মানঘাটের জায়গা অবৈধ দখল

প্রতিবেদকের নাম / ১৬৩ শেয়ার হয়েছে
নিউজ আপঃ বুধবার, ৬ নভেম্বর, ২০১৯, ৭:৪১ পূর্বাহ্ন

মৌলভী বাজার প্রতিনিধি: কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামে, শশ্মানঘাটের জায়গা অবৈধভাবে দখল করেছেন বলে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিতভাবে অভিযোগ জানানো হয়েছে। গত ১৭ অক্টোবর গ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে এ লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শমশেরনগর ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামে বংশ পরস্পরায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে বসবাস করে আসছেন সবাই। গ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়ের কারো মৃত্যু হলে ব্রিটিশ আমল থেকে সার্বজনীন শশ্মানঘাটে শেষকৃত্য সম্পাদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। কখনো কারো কোনো আপত্তি বা ভূমি দখলের ঘটনা ঘটেনি। গ্রামের দক্ষিণে পতিত সংলগ্ন জোড়াপুকুর নিয়ে শশ্মানঘাটের উত্তরপার সংলগ্ন পতিত পাল সম্প্রদায়ের শশ্মানঘাট। বাঁশঝাড় ও পূর্ব দক্ষিণ পার সংলগ্ন পতিত নাথ সম্প্রদায়ের সমাধিক্ষেত্র। পুকুরদুটি উভয় সম্প্রদায়ের শেষকৃত্য সম্পাদনের জন্য শশ্মানঘাট হিসাবে আবহমান কাল থেকে জোড়াপুকুর নামে পরিচিত। তবে সম্প্রতি সময়ে সারঙ্গপুর গ্রামের আলতা মিয়ার পুত্র বিলাল মিয়া অবৈধভাবে শশ্মানঘাট ও পুকুর দখল করে বাঁশ দিয়ে বেড়া দিয়েছেন। গবাদি পশুর জন্য ঘাস কেটে নিচ্ছেন। পুকুরে বেড়া দিয়ে মাছের চাষাবাদ করছেন। কেউ আপত্তি জানালে গালিগালাজ করে হুমকি ধমকি প্রদর্শন করেন বিলাল মিয়া ।

এ ব্যাপারে শিক্ষক বিমলেন্দু পাল, যশেন্দু দেবনাথ, পঙ্কজ চন্দ্র পাল, রিপন দেবনাথ, রুপেন্দ্র দেবনাথ, অনন্ত চন্দ্র পাল, প্রণয় পাল অভিযোগ করে বলেন, বিল্লাল মিয়া অবৈধভাবে শশ্মানের ভূমি দখল করে হুমকি ধমকি দিচ্ছেন এখানে কেউ মরা পুড়াতে পারবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। তিনি দখল করার পর সবসময় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সেখানে অবস্থান করেন। বিষয়টি স্থানীয়দের অবহিত করা হয়েছে। তবে শশ্মানঘাট রক্ষায় সীমানা প্রাচীর নির্মাণ ও পুকুর দুটি সংস্কার করে হিন্দু সম্প্রদায়ের শেষ ঠিকানা হিসাবে শশ্মানঘাটের জায়গা উদ্ধার করার জন্য আমরা জেলা প্রশাসক বরাবরে আবেদন জানিয়েছি।

তবে অভিযোগ বিষয়ে বিলাল মিয়া বলেন, পুকুরের ভূমিটুকু আমার কাগজপত্রে রেকর্ডভূক্ত। ৫৬’র রেকর্ড অনুযায়ী আমি মালিক বিদ্যমান। অভিযোগকারীরা তাদের স্বপক্ষে কাগজপত্র দেখিয়ে প্রকৃত মালিকানা নিশ্চিত করতে পারলে তাদের জমি ফেরত দেয়া হবে।


এই বিভাগের আরও খবর....

Address

87 Middle Rajashon, Savar,Dhaka-1340

+8802-7746644, +8801774945450

EMAIL newsalltime27@gmail.com

এক ক্লিকে বিভাগের খবর